নাটোরে লাভের মুখ দেখছেন মাছ চাষিরা, আশাবাদী

0 4

নাটোর জেলার ছোট বড় ৩৫টি বিলে এখনো পানি না আসায় শুধু চাষের মাছ সরবরাহ হচ্ছে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও গত ২ বছরের চেয়ে চলতি বছর সব ধরনের মাছের কেজিতে ৩০-৫০ টাকা দাম বেড়েছে।

ভালো দাম পাওয়ায় চলতি বছর লাভের মুখ দেখছেন মাছ চাষিরা। ভোর থেকে নাটোরের মাছের পাইকারি বাজারগুলো তাজা মাছ বিক্রির হাঁকডাকে সরব হয়ে উঠে। জেলার সব পাইকারি বাজারে বিভিন্ন ধরনের চাষের মাছ বিক্রি হচ্ছে। তবে গত ২ বছরের চেয়ে চলতি বছর সব ধরনের মাছে প্রতি কেজিতে ৩০-৫০ টাকা বেশি পাচ্ছেন চাষিরা।

আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মে) নাটোর শহরের মাদ্রসা মোড়ে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি সিলভার কাপ ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, রুই ২১০ থেকে ৩৭০ টাকা,পাঙাশ ১৫০ টাকা, শিং ও মাগুর ৩৭০ থেকে ৫৫০ টাকা ও বাটা ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

মাছ চাষিরা জানান, মাছের খাবারের ফিট ও খৈলের দাম প্রতি বছর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে প্রতি বছর মাছ উৎপাদনের খরচ কেজিতে ৫-১০ টাকা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

গত ২ বছর মাছে দাম না পাওয়ায় লোকসান গুনেছেন চাষিরা। তবে বর্তমান দামে গত ২ বছরের লোকসান কাটিয়ে চলতি বছর লাভের মুখ দেখতে শুরু করেছেন তারা।

মাদ্রসা মোড়ের আড়তদার রবিউল ইসলাম রবি জানান, নাটোর জেলার বিলগুলোতে এখনো পানি আসেনি। পানি আসার দেড় থেকে ২ মাসের মাথায় দেশীয় মাছের সরবরাহ বাড়বে পাইকারি বাজারগুলোতে। কমপক্ষে আরও ২ মাস এমন চড়া দামে মাছ বিক্রি হবে বলে জানান তিনি।

স্থানীয় মৎস্য অফিস জানায়, নাটোর জেলায় প্রতি বছর ৬৩ হাজার মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হলেও জেলার চাহিদা প্রায় ৪৫ হাজার মেট্রিক টন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.